হাতে গোনা কয়েকটি দোকান খোলা রয়েছে যাদবপুর স্টেশনর ওপর। উচ্ছেদ আটকাতে কার্যত রাতভর আন্দোলন চলায় অধিকাংশই আর দোকান খোলেননি। মূলত খাবার অন্য আর কয়েকটি দোকান খোলা রয়েছে। স্টেশনের উপর গাছের শিকড়ের দোকান রয়েছে গোপালচন্দ্র ঘোষের। তাঁর দোকানেও উচ্ছেদের নোটিস পড়েছে। তিনি জানালেন, ১৯৯০ সাল থেকে তাঁর দোকান রয়েছে। বাড়িতেও একমাত্র তিনিই উপার্জন করেন। আগামী দিনে কী হবে তা ভেবেই আপাতত সে আতঙ্কিত।
উল্লেখ্য, হকার উচ্ছেদের আশঙ্কায় মঙ্গলবার রাতে যাদবপুর স্টেশনে প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন বাম নেতা ও কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, স্টেশনের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল বুলডোজার। যে কোনও সময়ে ভেঙে ফেলা হতে পারে দোকান। তাই আন্দোলনে শামিল হন তাঁরা। এরপর বুধবার সকালে দেখা গেল, যাদবপুর স্টেশনে অধিকাংশ দোকানই বন্ধ।









