গত কয়েকদিন ধরেই প্রবল বৃষ্টি চলছে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায়। বিপর্যস্ত ডুয়ার্স। একাধিক রাস্তায় ধস নামার ফলে স্থানীয় বাসিন্দা থেকে পর্যটক, সকলেই প্রবল আতঙ্কে। এই পরিস্থিতিতে বুধবার সকাল থেকে প্রবল বৃষ্টি শুরু দক্ষিণবঙ্গে। ভোর বেলাই কার্যত আঁধার নামল তিলোত্তমার বুকে। টানা বৃষ্টিতে একাধিক জায়গা জলমগ্ন। পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর পরিস্থিতিও একই। বেশ কয়েকটি জেলায় জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার আরও বাড়বে বৃষ্টি। একদিনেই ১১০ মিলিলিটার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দুর্যোগ জারি থাকবে উত্তরবঙ্গেও। ফলে সকলকে নিরাপদে থাকার পরামর্শ আবহাওয়া দপ্তরের।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, মৌসুমি অক্ষরেখা বর্তমানে রাজস্থানের বিকানের থেকে শুরু করে দিল্লি, লখনউ, পাটনা হয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের মণিপুর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। রাজস্থান থেকে উত্তর-পূর্ব বিহার পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখাও সক্রিয়। যার প্রভাবে বৃষ্টিতে কার্যত ভাসছে গোটা বাংলা।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, মৌসুমি অক্ষরেখা বর্তমানে রাজস্থানের বিকানের থেকে শুরু করে দিল্লি, লখনউ, পাটনা হয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের মণিপুর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। রাজস্থান থেকে উত্তর-পূর্ব বিহার পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখাও সক্রিয়। যার প্রভাবে বৃষ্টিতে কার্যত ভাসছে গোটা বাংলা। উত্তরবঙ্গে দিন কয়েক আগেই শুরু হয়েছিল বৃষ্টি। বুধবার ভোর থেকে প্রবল বৃষ্টি শুরু কলকাতা-সহ গোটা দক্ষণবঙ্গে। জানা গিয়েছে, আগামিকাল বৃষ্টি বাড়বে জেলায় জেলায়। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। সঙ্গী হতে পারে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রপাত।
উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি আরও জটিল। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। এই জেলাগুলো জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। পাশাপাশি মালদহ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে।










