দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর অবশেষে মুক্তি পেলেন ‘অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন’-এর সর্বভারতীয় সভানেত্রী নেহা বোরা। দিল্লি পুলিশ অ্যাক্টের ৬৫ নম্বর ধারার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর নেহাকে শনিবার ভোরে ছাড়া হয়। শুক্রবার প্রিভেন্টিভ সেকশনে (নিবারণমূলক ধারায়) তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ।
মুক্তির পরই কেন্দ্র এবং দিল্লি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন আইসা সভানেত্রী। তাঁর অভিযোগ, দেশে আইন ও সংবিধানকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে সাধারণ নাগরিকের সঙ্গে দাগি অপরাধীদের মতো আচরণ করা হচ্ছে। নেহা বোরা বলেন, “আইন-শৃঙ্খলাকে সব দিক থেকে বুড়ো আঙুল দেখানো হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে এমনভাবে দেখা হচ্ছে যেন তারা বড়মাপের অপরাধী। বর্তমান গণআন্দোলন স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিয়েছে যে প্রশাসন কীভাবে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করছে। দিনে বা সন্ধ্যায় কাউকে আটক করে সারা রাত হেফাজতে রেখে পরদিন সকালে বা বিকেলে ছাড়া হচ্ছে। কোন আইনে এটা করা যায়? বিশেষ করে মহিলাদের সূর্যাস্তের পর পুলিশি হেফাজতে রাখার ক্ষেত্রে স্পষ্ট আইনি বিধিনিষেধ রয়েছে, কিন্তু এখানে নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করে সারা রাত আটকে রাখা হচ্ছে।”
আটকের সময়কার পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে আইসা নেত্রী জানান, আইনি পরামর্শ নেওয়ার মৌলিক অধিকারটুকুও প্রথমে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, “পুলিশ আমার নাম, ঠিকানা এবং বিস্তারিত পরিচয় জানতে চায়। বহুক্ষণ আমাকে কোনও আইনজীবীর সঙ্গে কথা পর্যন্ত বলতে দেওয়া হয়নি। আমাদের আইনজীবীরা প্রায় পাঁচ-ছয় ঘণ্টা ধরে আমার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছিলেন। পরে আমরা কোনোভাবে যোগাযোগ করতে পারার পরই তাঁদের দেখা করার অনুমতি মেলে। বহুদিন ধরে এইভাবেই বিরোধীদের দমন করার প্রক্রিয়া চলছে।”











