নিট প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সংসদের বাদল অধিবেশনের চতুর্থ দিনেও উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি অব্যাহত। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ফের সরব হলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র।
সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মহুয়া বলেন, “আজ টানা তৃতীয় দিন দিল্লির সমস্ত মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে রাখা হয়েছে। এভাবে কোনও সরকার চলতে পারে না। গোটা দিল্লিকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “সংসদের ভিতরে এবং সংসদের বাইরে আমাদের একটাই দাবি—ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে। সরকার যদি ভিতরে আমাদের সঙ্গে আপস করে এবং বাইরে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করার চেষ্টা করে, তা কখনও মেনে নেওয়া হবে না।”
মহুয়া মৈত্র বলেন, সংসদের ভিতরে জনপ্রতিনিধিদের কণ্ঠস্বর এবং সংসদের বাইরে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর—দুই জায়গা থেকেই একই দাবি উঠছে। তাঁর কথায়, “ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতেই হবে। কোনও আলোচনা নয়, কোনও কথা নয়—আগে পদত্যাগ, তারপর আলোচনা।”
আন্দোলনরত পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা এবং এফআইআর নিয়েও কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, “গতকাল পর্যন্ত দিল্লি পুলিশ এবং নামফলকহীন ইউনিফর্ম পরা ভাড়াটে গুন্ডারা পড়ুয়াদের মারধর করেছে। এর জন্য একটি ফাস্ট ট্র্যাক আদালত তৈরি করা উচিত। অথচ পড়ুয়াদের বিরুদ্ধেই এফআইআর করা হচ্ছে। কোন ফাস্ট ট্র্যাক আদালত তৈরি হবে?”
শিক্ষামন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মহুয়া বলেন, “এই সমস্ত ঘটনার জন্য যিনি দায়ী, তিনি হলেন শিক্ষামন্ত্রী।”
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘সমষ্টিগত দায়বদ্ধতা’র বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন তিনি। মহুয়া বলেন, “আমরা কেন সমষ্টিগত দায়বদ্ধতা নেব? আপনার মন্ত্রী, আপনার সরকার প্রশ্নফাঁসের জন্য দায়ী। তাহলে আমরা কীভাবে এর দায় নেব?”
—————











