৬ কার্তিক ১৪৩৩ শুক্রবার ২৩ অক্টোবর ২০২৬
৬ কার্তিক ১৪৩৩ শুক্রবার ২৩ অক্টোবর ২০২৬

দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ৩৬৭টি স্টেশনে ‘রেল জনসংবাদ’, যাত্রীদের সমস্যা ও পরামর্শ শুনল রেল কর্তৃপক্ষ

High News Digital Desk:

যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন, তাঁদের অভাব-অভিযোগ শোনা এবং রেল চত্বরে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ নিল ভারতীয় রেল। ‘বিশেষ অভিযান ৬.০’-এর আওতায় গত ২২ অক্টোবর দেশজুড়ে ৭ হাজারেরও বেশি রেল স্টেশনে ‘রেল জনসংবাদ’ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান আয়োজন করা হয়। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের অধীন ৩৬৭টি স্টেশনেও এই কর্মসূচি পালিত হয়েছে। খড়্গপুর রেল মণ্ডলের সমস্ত স্টেশনেও যাত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের ব্যবস্থা করা হয়।

দক্ষিণ-পূর্ব রেলের মহাপ্রবন্ধক অনিল কুমার জৈন শালিমার স্টেশনে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের কাছ থেকে রেল পরিষেবা ও যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন পরামর্শ শোনেন তিনি। পাশাপাশি স্টেশনে আয়োজিত শ্রমদানের কর্মসূচিতেও অংশ নেন মহাপ্রবন্ধক। অন্যদিকে, দক্ষিণ-পূর্ব রেলের অতিরিক্ত মহাপ্রবন্ধক মনীশ কুমার জৈন সাঁতরাগাছি স্টেশনে কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন। সেখানেও যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের মতামত শোনেন তিনি।

খড়্গপুর রেল মণ্ডলের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) ললিত মোহন পাণ্ডে খড়্গপুর স্টেশনে যাত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। যাত্রী পরিষেবা, সুযোগ-সুবিধা এবং স্টেশনের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে আলোচনা হয়। স্টেশনের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার কাজে নিযুক্ত কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন ডিআরএম। রেল চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে তাঁদের অবদানের প্রশংসা করার পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতার উচ্চমান বজায় রাখার জন্য উৎসাহিত করেন তিনি।

খড়্গপুর রেল মণ্ডলের অন্যান্য স্টেশনেও কর্মসূচিতে অংশ নেন সংশ্লিষ্ট শাখার আধিকারিক, স্টেশন মাস্টার, স্টেশন ম্যানেজার এবং রেলওয়ের তত্ত্বাবধায়করা। যাত্রীদের রেল পরিষেবা, স্টেশনের সুযোগ-সুবিধা এবং পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত অভাব-অভিযোগ ও পরামর্শ সরাসরি জানানোর জন্য উৎসাহিত করা হয়।

রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগ ও পরামর্শের ভিত্তিতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। এর মাধ্যমে পরিষেবার মান আরও উন্নত করা এবং স্টেশনগুলিতে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশজুড়ে এই কর্মসূচির মাধ্যমে রেল প্রশাসন ও যাত্রীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ আরও মজবুত করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রেল চত্বর পরিষ্কার রাখার বিষয়ে যাত্রী ও কর্মীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

Scroll to Top