২২ ভাদ্র ১৪৩৩ মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২২ ভাদ্র ১৪৩৩ মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উত্তরবঙ্গে দুর্যোগের আশঙ্কায় আগাম সতর্কতা, পরিস্থিতি পর্যালোচনায় তড়িঘড়ি উত্তরবঙ্গ সফরে মুখ্যমন্ত্রী

প্রতিবেশী দেশ নেপালে সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে সৃষ্ট উদ্বেগ এবং আবহাওয়া দফতরের টানা ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তার মধ্যে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় জটিল পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

High News Digital Desk:

প্রতিবেশী দেশ নেপালে সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে সৃষ্ট উদ্বেগ এবং আবহাওয়া দফতরের টানা ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তার মধ্যে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় জটিল পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সম্ভাব্য এই দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার তড়িঘড়ি ঝটিকা সফরে উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাহাড়ি অঞ্চলের বর্তমান ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক পরিস্থিতি সরাসরি সরেজমিনে পরিদর্শন করতে এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতি জোরদার করতেই তাঁর এই সফর।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী বুধবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এর ফলে পাহাড়ে ধস নামা এবং নদীগুলিতে হঠাৎ জলস্তর বৃদ্ধির মতো বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এই বিষয়ে দূর থেকে কেবল নির্দেশিকা না পাঠিয়ে সরাসরি উত্তরবঙ্গের মাটিতে দাঁড়িয়ে সমস্ত ব্যবস্থার তদারকি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

সফরসূচি অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী বাগডোগরা বিমানবন্দরে নেমে সরাসরি কালিম্পং পৌঁছাবেন। সেখানে টাউন হলে আয়োজিত সরকারি কর্মসূচিতে পাহাড়ের বাসিন্দাদের হাতে সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা তুলে দেবেন তিনি। অনুষ্ঠানে সাংসদ রাজু বিস্তা, বিধায়ক ভরত ছেত্রী, সোনম লামা ও নোমান রাই উপস্থিত থাকবেন। আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে আকাশপথের পরিবর্তে সড়কপথে কালিম্পং যাওয়ার প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।

কালিম্পংয়ের কর্মসূচি শেষে মুখ্যমন্ত্রী সমতলে ফিরে শিলিগুড়ির উত্তরকন্যায় উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের শীর্ষ আধিকারিক ও জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদের নিয়ে এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠকে বসবেন। কালিম্পংয়ের জেলা শাসক কুহুক ভূষণ এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, নবান্ন ও উত্তরকন্যার মধ্যে সমন্বয় রেখে মূলত দুর্যোগ মোকাবিলার আগাম প্রস্তুতি নিয়েই বৈঠকে আলোচনা করা হবে। বিশেষ করে পাহাড়ের ধসপ্রবণ এলাকা, সংকীর্ণ নদী-নালা ও বিপজ্জনক পাহাড়ি রাস্তার নিরাপত্তা খতিয়ে দেখা এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনবসতিগুলিতে দ্রুত সতর্কবার্তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হবে।

Scroll to Top