বিরোধীদের তুমুল হইহট্টগোলে সোমবারও বিঘ্নিত হয়েছে সংসদের উভয়কক্ষের কাজকর্ম। বিভিন্ন ইস্যুতে বিরোধীদের হইচইয়ের জন্য লোকসভা ও রাজ্যসভার অধিবেশন দুপুর ২টো পর্যন্ত মুলতুবি করে দেওয়া হয়েছে। শুধু সংসদের ভিতরেই নয়, বাইরেও এদিন সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন বিরোধীরা।
লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এদিন কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের পদকজয়ীদের তাঁদের অসাধারণ সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি তাঁদের নিষ্ঠা, কঠোর পরিশ্রম এবং এমন এক উল্লেখযোগ্য অর্জনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন, যা সমগ্র দেশকে গর্বিত করেছে। অন্যদিকে, রাজ্যসভায়ও কমনওয়েলথ গেমস এবং কমনওয়েলথ প্যারা গেমসে অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য ভারতীয় ক্রীড়াদলকে অভিনন্দন জানানো হয়।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডঃ এল. মুরুগান এদিন রাজ্যসভায় বেশ কিছু প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এগুলি হল – পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটিতে একজন সদস্যকে মনোনীত করার প্রস্তাব। পাবলিক আন্ডারটেকিংস কমিটিতে একজন সদস্যকে মনোনীত করার প্রস্তাব। অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর কল্যাণ বিষয়ক কমিটিতে ১০ জন সদস্যকে নির্বাচিত করার প্রস্তাব। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন এদিন লোকসভায় ‘দ্য ব্যাংকার্স বুকস এভিডেন্স বিল, ২০২৬’ পেশ করেছেন।
এদিকে, সংসদ মুলতবি হওয়ার বিষয়ে কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর বলেন, “আমি হতাশ। কোনও বিল তাৎক্ষণিকভাবে পাস হওয়া বা না হওয়ার ঊর্ধ্বে সংসদের নিজস্ব একটি গুরুত্ব রয়েছে। সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে যোগাযোগের যে ঘাটতি রয়েছে, তার ফলেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংসদীয় কার্যক্রম ব্যাহত হওয়া রোধ করার লক্ষ্যে বিরোধী পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ ও আলোচনার উদ্যোগ নেওয়াটা আমাদের সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রীর ক্ষেত্রে একটি সাধারণ রীতি ছিল। কিন্তু বর্তমানে এই প্রক্রিয়ায় পারস্পরিক বোঝাপড়া বা আদান-প্রদানের বিষয়টি খুব একটা দেখা যাচ্ছে না; আর আমার মতে, এটি আমাদের সংসদ কিংবা গণতন্ত্র—কোনোটির জন্যই শুভ নয়।”










