অ্যান্তোনি গর্ডনের গোলে ইংল্যান্ড এগিয়ে গেলেও শেষ হাসি হাসলো আর্জেন্টিনা। এনজো ফার্নান্দেজের দারুণ এক গোলে ম্যাচে সমতা আসার পর আলবিসেলেস্তেদের জয় এনে দেন লাওতারো মার্তিনেজ।
বুধবার রাতে আটলান্টা স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা জিতেছে ২-১ গোলে। বিশ্বকাপের ফাইনালে তারা মুখোমুখি হবে স্পেনের সঙ্গে। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ হবে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের দুই ও চার নম্বর দল দু’টির এই হাইভোল্টেজ ম্যাচটি ছিল ফাউলে ভরা। বিশেষ করে প্রথমার্ধে দুই দলই মেতে ওঠে শারীরিক শক্তি নির্ভর লড়াইয়ে। ফাউল হয়েছে ১৯টি।
প্রথম ৪৫ মিনিটে আর্জেন্টিনা ফাউল করে ১২টি, ইংল্যান্ড সাতটি। দুই দলেরই একজন করে দেখেন হলুদ কার্ড।
আটালান্টা স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৫৫ মিনিটে ইংল্যান্ড এগিয়ে যায়
অ্যান্তোনি গর্ডনের করা গোলে। মর্গান রর্জাস ডান উইংয়ে বল পেয়ে ডি বক্সে বল বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। বাঁপ্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢোকা অ্যান্তোনি গর্ডন এক পাসেই বল জালে পাঠিয়ে দেন। এমি মার্তিনেজ ঝাঁপিয়ে পড়েও বল ধরতে পারেন নি।
গোলটি ধরে রাখার জন্য রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে ইংল্যান্ড। ফলে মুহুর্মুহু আক্রমণ করেও আর্জেন্টিনা গোলের দেখা পায়নি। অবশেষে ৮৫ মিনিটে সমতায় ফেরার গোলটি পায় আর্জেন্টিনা। মেসি বল বাড়িয়ে দিয়েছিলেন এনজোর কাছে। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শটে জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন তিনি।
এর পরই জয়ের গোলটিও মেসিরই তৈরি করে দেওয়া। ডানপ্রান্ত থেকে ক্রস দিয়েছিলেন মেসি। দূরের পোস্টের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা লাওতারো লাফিয়ে উঠে ব্যবধান ২-১ করেন। ইংল্যান্ড এরপর আক্রমণাত্মক হলেও আর গোলের দেখা পায়নি। ১৯৬৬ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এ নিয়ে তিনবার সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিল তারা।
পুরো ম্যাচে প্রায় ৬৫ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে, গোলের জন্য ১৫টি শট নিয়ে পাঁচটি লক্ষ্যে রাখতে পারে আর্জেন্টিনা। ইংলিশদের পাঁচ শটের দুটি লক্ষ্যে ছিল।
আগামী রবিবার নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।











