মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে সম্প্রতি এলপিজি সংক্রান্ত নিয়ে বেশ কিছু নিয়ম-কাননে পরিবর্তনে এসেছে। গ্যাস কোম্পানিগুলো এলপিজি কানেকশন নেওয়া অথবা রিফিল বুকিং ও পাইপ লাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস ট্রান্সফারের বিষয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম জারি করেছে। আজকে প্রতিবেদনে রইল সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য।
আপনি যদি একজন এলপিজি গ্রাহক হন এবং ঠিকানা ও বাসস্থান পরিবর্তন করে থাকেন তাহলে আজকের প্রতিবেদন খুবই গুরুত্বপূর্ণ আপনার জন্য। কারণ এই নিয়মকানুন গুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা একান্তই জরুরি। আপনি যদি এই নিয়মগুলোর বিষয়ে অবগত না থাকেন তাহলে কানেকশন বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। তাই জেনে নিন সেই বিষয়ে নতুন সরকারি নির্দেশিকা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।
১)এলপিজি গ্যাস বিষয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, কোন গ্রাহক যদি বাড়ি বদল করেন তবে কিছু নির্দিষ্ট কাজ মেনে তাকে এই বাড়ি বদল করতে হবে। এছাড়া যদি পিএনজি কানেকশন হতে চান তবে সমস্ত কাগজপত্র তৈরি রাখতে হবে আপনাকে। এই নিয়ম গুলো সঠিকভাবে মেনে চললে গ্রাহকরা ভালো ও সহজ পরিষেবা পাবেন।
২) বাড়ি বদলের আগে গ্যাস এজেন্সিকে আপনাকে সবার আগে জানাতে হবে। প্রথমে কানেকশন ট্রান্সফারের জন্য আবেদন করতে হবে। এছাড়াও আপনার পরিচয় পত্র নতুন ঠিকানা প্রমাণপত্র ও গ্যাস বুকিং এবং কানেকশন ভাউচারের মতন কাগজপত্র জমা দেওয়া একান্তই প্রয়োজন।
৩) যদি একই এলাকার অন্য বাড়িতে শিফট হন সে ক্ষেত্রে কানেকশন পরিবর্তন করার কোন প্রয়োজন নেই। সেখানে শুধুমাত্র ঠিকানা পরিবর্তন করাই যথেষ্ট। আপনার ঠিকানা আপডেট করিয়ে নিতে পারেন ডিস্ট্রিবিউটারের কাছে গিয়ে।
৪) নতুন ঠিকানাটি অন্য কোন গ্যাস এজেন্সির পরিষেবা এলাকার মধ্যে ঠিক হলে, বর্তমান এজেন্সি থেকে একটি ট্রান্সফার টার্মিনেশন ভাউচার সংগ্রহ করতে হবে। এই ডকুমেন্টটি নতুন গ্যাস এজেন্সি থেকে নেওয়ার জন্য ব্যবহার করতে হবে। ট্রান্সফার প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত নথি ও পুরনো গ্যাস এজেন্সির দেওয়া তথ্য গুলো জমা দিতে হবে।
৫) পাশাপাশি গত ৬ মাসে সারা দেশে ১৩.৪ লক্ষ্যের বেশি নতুন পিএনজি কানেকশন দেওয়া হয়েছে। সরকারের নতুন নির্দেশিকা অনুসারে পিএনজি কানেকশনের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হল ৬০ লক্ষ পিএনজি কানেকশন দেওয়া। তাই যাদের এলপিজি ও পিএনজি দুই ধরনের কানেকশন রয়েছে তাদের এলপিজি কানেকশনটি স্যারেন্ডার করে পিএনজি কানেকশন নিতে হবে।










