সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো শুধু কাজ, প্রচার নয়, জোর দিয়ে বললেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ বলেন, “আমাদের সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আমরা এক জায়গায় এমন বড় সভা করব না যাতে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। তাই, আমরা পশ্চিমবঙ্গকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করে সেই অনুযায়ী সভা করছি। ২০ তারিখে শিলিগুড়িতে পাঁচটি জেলার সভা অনুষ্ঠিত হবে। আমাদের মন্ত্রিসভা, মুখ্যমন্ত্রী এবং মুখ্য সচিব এই বৈঠকগুলিতে উপস্থিত থাকবেন। স্থানীয় বিধায়ক থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসক ও বিডিও পর্যন্ত সবাই উপস্থিত থাকবেন। শুধু কাজ হবে, কোনও প্রচার চলবে না।”
স্কুল ও মাদ্রাসায় বন্দেমাতরম বাধ্যতামূলক প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “সব স্কুল ও মাদ্রাসায় ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া হবে। যেখানেই সরকারি টাকা ব্যবহার করা হয়, সেখানেই সরকারি নিয়ম প্রয়োগ করা হয়। জাতীয় সঙ্গীত সব জায়গায় গাইতে হবে। সারাদেশে এভাবেই কাজটা চলে। এখানে প্রচলিত পুরোনো আইনগুলো সরকার মানত না।”
বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের প্রসঙ্গে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, “তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে কী লাভ? তাদের খাইয়ে-দাইয়ে বা আশ্রয় দিয়ে কী লাভ? তারা বহু বছর ধরে এভাবেই বসবাস করছে এবং সমস্ত সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে। আমাদের তাদের ফেরত পাঠাতে হবে। এ বিষয়ে আলোচনা চলছে।” পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের ঈদে কুরবানি পরিহার করার জন্য ফুরফুরা শরীফ পীরজাদা তোহা সিদ্দিকীর আবেদনের বিষয়ে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, “মুসলিম সম্প্রদায় এই আহ্বান জানিয়েছে, এটি একটি খুব ভালো বিষয়। গো-হত্যা কোনও ধর্মীয় প্রথা নয় এবং এর সঙ্গে ধর্মের কোনও সম্পর্ক নেই। হিন্দু সম্প্রদায়কে কষ্ট দেওয়ার জন্যই এখানে গোহত্যা করা হতো।”









