শুক্রবার দমদম বিমানবন্দরের মসজিদে নমাজ পড়ার ডাক দিয়েছিলেন সিদিকুল্লা চৌধুরী। কোনওরকম উত্তেজনা যাতে না ছড়ায় সেজন্য বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী, জারি হয় বিএনএস-এর ১৬৩ ধারা। এই পরিস্থিতিতে এলাকায় গিয়েও পিছু হটলেন এই নেতা। শুক্রবার কর্মসূচি হচ্ছে না, এমনই জানিয়েছেন তিনি।
দমদম বিমানবন্দর থেকে বাঁকড়া মসজিদ সরানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মসজিদের নমাজপাঠ ও যাতায়াত। ওদিকে, ওই মসজিদে নমাজ পাঠের কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন সিদিকুল্লা চৌধুরী। সেই নিয়ে শুক্রবার সকাল থেকেই জোর চর্চা শুরু হয়।
কলকাতা বিমানবন্দরের ৭ নম্বর গেট এবং তার আশেপাশের এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি করা হয়। বিধাননগর পুলিশ নিরাপত্তার জন্য গোটা এলাকা মুড়ে ফেলা হয়। রাস্তায় মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী, র্যাফ। রাখা হয় জলকামান। গোটা পরিস্থিতিতে বিরাটি, বাঁকড়া এলাকায় চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়।
কেবল মসজিদচত্বরেই নয়, এয়ারপোর্ট চত্বরে গিয়েও ফিরে গেলেন সিদ্দিকুল্লা! তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছুই বলেননি এই সংখ্যালঘু নেতা। এদিন এয়ারপোর্ট চত্বরে গিয়ে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। তারপরেই তিনি কর্মসূচি থেকে পিছু হটেন!










