১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২৬
১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২৬

হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েই বাপুকে শ্রদ্ধার্ঘ্য ওয়াংচুকের

High News Digital Desk:

গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসপাতাল থেকে ছুটি পাওয়ার দিল্লির রাজঘাটে গিয়ে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানালেন সোনম ওয়াংচুক। সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক ও তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো সোমবার রাজঘাটে গিয়ে মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সোনম বলেন, “২৬ দিনব্যাপী এই অনশন ও আন্দোলনের সমাপ্তির পর, আমি প্রথমেই রাজঘাটে আসতে চেয়েছিলাম মহাত্মা গান্ধীকে স্মরণ করতে, তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে এবং দেশবাসীকে এটা জানাতে যে, তিনি যে পথ দেখিয়েছিলেন তা একশো বছর আগে যেমন প্রাসঙ্গিক ও যথার্থ ছিল, আজও ঠিক তেমনই প্রাসঙ্গিক ও যথার্থ। গত পাঁচ-ছয় বছর ধরে আমরা লাদাখে গান্ধীর দেখানো এই পদ্ধতিটি চর্চা ও প্রয়োগ করে আসছি এবং এটিকে অত্যন্ত যথার্থ ও প্রাসঙ্গিক বলে মনে করছি। তবুও, জাতীয় পর্যায়ে এটি কার্যকর হবে কি না, তা নিয়ে আমার মনে সংশয় ছিল। এবার আমি নিশ্চিত হয়েছি, একশো বছর পরেও জাতীয় পর্যায়ে এই পদ্ধতিটি প্রাসঙ্গিক এবং সম্ভবত আগামী আরও একশো বা এমনকি হাজার বছর ধরেও তা প্রাসঙ্গিক থাকবে। তাই আমি ভারত ও বিশ্বের মানুষের প্রতি আহ্বান জানাই, তাঁরা যেন বাপুর দেখানো শান্তির পথ ধরেই নিজেদের অভাব-অভিযোগ ও দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন। সমাধান নিশ্চয়ই মিলবে। সময় হয়তো লাগতে পারে, কিন্তু এর পরিণতি অন্ধকারে নিমজ্জিত হয় না; আমরা নিজেরাই তা প্রত্যক্ষ করেছি। হয়তো প্রথম প্রচেষ্টাতেই সাফল্য নাও আসতে পারে, তবে সাধারণত সাফল্য অর্জিত হয়ই।”

সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক আরও বলেন, “আমি দেশের তরুণসমাজ, সাধারণ মানুষ এবং সকল নাগরিককে অভিনন্দন জানাতে চাই। সেই সঙ্গে আমি প্রবীণ, সব বয়সের মানুষ এবং সেইসব তরুণ সংগঠকদেরও অভিনন্দন জানাই, যারা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে এই আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। আমাদের বুঝতে হবে, কোনও সমাধান বা সাফল্য যদি অর্জিত হয়ে থাকে, তবে তা কোনও বাহুবল কিংবা লাঠি বা পাথর ব্যবহারের মাধ্যমে আসেনি; বরং তা এসেছে শান্তির জন্য আমাদের আবেদন এবং আমাদের নিজেদের সহ্য করা কষ্টের মধ্য দিয়ে।”

Scroll to Top