নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, নাগরাকাটা এলাকার ওই ২০ একর জমি প্রথমে বন দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হবে। পরে বন দফতর সেই জমি রেল প্রকল্পের কাজে ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করবে। এর ফলে প্রকল্পের বাকি পরিকাঠামোগত কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর জানান, উত্তরবঙ্গ ও সিকিমের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে এই প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘এই রেল প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অবকাঠামোগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতেই মন্ত্রিসভা জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’’
সেবক-রংপো রেলপথ (Sivok-Rangpo Railway Project) প্রকল্পটি উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রেল অবকাঠামো উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে পশ্চিমবঙ্গের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো সিকিম সরাসরি ভারতীয় রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। এর ফলে যাত্রী পরিবহণ যেমন সহজ হবে, তেমনই পণ্য পরিবহণ, পর্যটন এবং সীমান্তবর্তী এলাকার অর্থনৈতিক কাজকর্মেও উল্লেখযোগ্য গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রেল মন্ত্রকের এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্পে একাধিক দীর্ঘ সুড়ঙ্গ, সেতু এবং পাহাড়ি রেলপথ নির্মাণের কাজ চলছে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে সিকিমে যাতায়াতের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রাজ্যের এই পার্বত্য প্রতিবেশী রাজ্যের যোগাযোগ আরও মজবুত হবে।
রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক এই সিদ্ধান্তকে প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।









