২০ কার্তিক ১৪৩৩ শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২৬
২০ কার্তিক ১৪৩৩ শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২৬

রাজধানীর বায়ুদূষণ বৃদ্ধি নিয়ে হুঁশিয়ারি সুপ্রিম কোর্টের

High News Digital Desk:

রাজধানীতে মারাত্মক রূপ নিয়েছে বায়ুদূষণ। বিষাক্ত বাতাসে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় দিল্লির বাসিন্দাদের। এই আবহে দীপাবলিতে উপহার দেওয়া-নেওয়ার সামাজিক প্রবণতাকেই রাজধানীর বায়ুদূষণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করল সুপ্রিম কোর্ট।

দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলের বার্ষিক দূষণ রুখতে একটি ‘সাংস্কৃতিক পরিবর্তন’ প্রয়োজন বলে মনে করছেন ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। শুক্রবার এক শুনানিতে তিনি মন্তব্য করেন, সমাজের বিত্তশালী শ্রেণির হাত ধরে দীপাবলির উপহার দেওয়া-নেওয়ার এই সংস্কৃতি এখন স্রেফ সামাজিক প্রতিপত্তি ও মর্যাদা প্রদর্শনের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।

শুক্রবার দিল্লির সামগ্রিক বায়ুগুণমান সূচক (AQI) কার্যত ‘গুরুতর’ বা বিপজ্জনক মাত্রার দোড়গোড়ায় পৌঁছে যায়। তার পরই শীর্ষ আদালতের তরফে এই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য আসে। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের (CPCB) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ দিন রাজধানীতে গড় বায়ুগুণমান সূচক রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮৯। যদিও শহরের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে তা ৪০০-র গণ্ডি ছাড়িয়ে যায়।

আগামী ৮ নভেম্বর উদযাপিত হতে চলা দীপাবলি উৎসবের মরসুমে গত কয়েক দিন ধরেই দিল্লির বাজারগুলিতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। প্রধান

বিচারপতি উল্লেখ করেন যে, মূল সমস্যা কেবল দিল্লির রাস্তায় চলা নিজস্ব যানবাহনের সংখ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং উৎসবের সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার গাড়ি শহরে প্রবেশ করছে, যেগুলির ধোঁয়া বা নির্গমন পর্যবেক্ষণ করা কার্যত অসম্ভব।

উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, “পরিস্থিতি পুরো অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে। দেশের নানা প্রান্ত থেকে গাড়ি শহরে ঢুকছে। সেই সব গাড়ির সামগ্রিক ফিটনেস বা সেখান থেকে কী পরিমাণ বিষাক্ত ধোঁয়া নির্গত হচ্ছে, তা পরীক্ষা করার কোনও উপায় নেই। এমন কোনও গাড়ি যদি মাত্র দু’ঘণ্টার জন্যও শহরে প্রবেশ করে, তবে যা ক্ষতি হওয়ার তা হয়ে যাচ্ছে।”

Scroll to Top