৪ আশ্বিন ১৪৩৩ মঙ্গলবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪ আশ্বিন ১৪৩৩ মঙ্গলবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কেরলম; ইদুক্কিতে জোড়া ধস, মৃত্যু ৬ জনের

কেরলমে টানা ভারী বর্ষণে পরিস্থিতি ক্রমশ আশঙ্কাজনক হয়ে উঠেছে।

High News Digital Desk:

কেরলমে টানা ভারী বর্ষণে পরিস্থিতি ক্রমশ আশঙ্কাজনক হয়ে উঠেছে। ইদুক্কি জেলায় একটানা বৃষ্টির জেরে নতুন করে একাধিক এলাকায় ধস নেমেছে। মুন্নার-ভাট্টাবাডায় ধসের পর এবার বড়সড় বিপর্যয়ের মুখে পড়ল আদিমালি। আদিমালির পাঝামপল্লিচালে ধস নামলেও অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন পাঁচটি পরিবারের সদস্যরা।

ধস এবং প্লাবনের তোড়ে একটি বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তবে বিপদ আঁচ করতে পেরে বাসিন্দারা আগেই নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ধসের জেরে বিপর্যস্ত এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক করতে স্থানীয়দের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ চালাচ্ছেন দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীরা। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত সরিয়ে নিয়ে পলিসাক্কাল্লুর এলপি স্কুলে খোলা ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, পাহাড়ি অঞ্চলে একটানা বর্ষণের কারণে কোট্টাপ্পুঝা নদী উপচে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নীলাম্বুরের কংগ্রেস বিধায়ক আর্যাদান শৌকত জানিয়েছেন, নদী উপচে পড়ার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, “গতকালের পর এখনও পর্যন্ত ৫টি দেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। নিখোঁজ এক মহিলার সন্ধানে রাজ্য সরকার, এনডিআরএফ ও উদ্ধারকারী দল তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। আশা করছি আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেহ উদ্ধার করা সম্ভব হবে।”

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর ২১ সেপ্টেম্বর পত্তনমতিট্টা, কোট্টায়ম, আলাপ্পুঝা, এরনাকুলাম, ইদুক্কি এবং ত্রিশূর—এই ছয় জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়ে ‘হলুদ সতর্কতা’ জারি করেছে। নদী তীরবর্তী এবং পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক

Scroll to Top