তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিনে তাঁর বাড়ির সামনে হামলার অভিযোগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। একইসঙ্গে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকেও চাঁচাছোলা ভাষায় কটাক্ষ করেছেন তিনি। শনিবার সকালে নিউটাউনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে একযোগে আক্রমণ শানান।
শুক্রবার গভীর রাতে কালীঘাটে নিজের বাসভবনে হামলার অভিযোগ তোলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ সরাসরি অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, “ফুটপাথে দাঁড়িয়ে নেতার জন্মদিন পালনের দৃশ্য প্রথমবার দেখা গেল। গভীর রাতে সেখানে গিয়ে যদি কেউ ঝামেলা বা অশান্তি সৃষ্টি করে, তবে পাল্টা প্রতিরোধ তো হবেই। তাছাড়া অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুন করার সময় কার আছে? ওঁদের বলার বা করার মতো আর কিছু অবশিষ্ট নেই, তাই এইসব ভিত্তিহীন ইস্যু তৈরি করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার ব্যর্থ চেষ্টা চালাচ্ছেন।”
অন্যদিকে, এসআইআর প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে রাজ্যের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে দিলীপ ঘোষ জানান, “আমি আমাদের বাংলার কথা বলতে পারি। এখনও পর্যন্ত রাজ্যের তালিকা থেকে প্রায় ৯১ লক্ষ ভুয়ো ও সন্দেহজনক নাম বাদ গিয়েছে। এর মধ্যে বহু লক্ষ মানুষ এমন রয়েছেন, যাঁদের নোটিস পাঠিয়ে বারবার ডাকার পরও তাঁরা হাজিরা দেননি। কারণ তাঁদের কাছে নাগরিকত্বের উপযুক্ত কোনও নথিপত্র নেই এবং তাঁরা কেউই এ রাজ্যের বৈধ ভোটার নন।”
কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর বিতর্কের আহ্বান প্রসঙ্গে মন্ত্রী তীব্র কটাক্ষ করে দিলীপ বলেন, “রাহুল গান্ধী তো এখনও পর্যন্ত কখনও কোনও বিতর্কই করেননি। তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সাহস দেখান না, আবার সংসদেও গঠনমূলক প্রশ্নের মুখোমুখি হন না; কেবল নিজের মতো ভাষণ দেন আর বেরিয়ে যান। এখন তাঁর সঙ্গে কে বিতর্ক করতে যাবে, কার এত সময় আছে? পারলে উনি নিজের দলের মধ্যে কিংবা ইন্ডি জোটের শরিকদের সঙ্গে বসে বিতর্ক করুন।”










