শিউলিঝরা সকাল আর ঢাকের তালে সূচনা হলো মহাসপ্তমীর। ভোরের আলো ফুটতেই গঙ্গার ঘাটগুলিতে ভিড় জমিয়েছিলেন পুরোহিত ও ভক্তরা—উদ্দেশ্য নবপত্রিকা বা ‘কলাবউ’ স্নান। শাস্ত্রমতে দেবীর নয়টি রূপের প্রতীক এই নবপত্রিকাকে স্নান করিয়ে মণ্ডপে নিয়ে আসার পরেই শুরু হয় সপ্তমীবিহীত পুজো। ঢাকের বাদ্যি, ধুনুচি আর কাঁসর-ঘণ্টার ধ্বনিতে জেগে উঠেছে শহরের প্রতিটি অলিগলি।
সকাল থেকেই বারোয়ারি মণ্ডপ থেকে শুরু করে বনেদি বাড়ির উঠোনে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার লম্বা লাইন। পাটভাঙা শাড়ি আর নতুন পাঞ্জাবিতে সেজে আট থেকে আশি—সব বয়সের মানুষ শামিল হয়েছেন দেবীবন্দনায়। বেলুড় মঠ থেকে শুরু করে বাগবাজার সার্বজনীন—সকাল থেকেই ভক্তির আবহে মিশেছে মিলনের সুর।
শ্রীভূমি, সুরুচি সংঘ, টালা প্রত্যয় কিংবা চেতলা অগ্রণীর মতো বিগ বাজেটের মণ্ডপগুলিতে আলোর কারুকার্য দেখতে জনস্রোত শুরু হয়েছে। ট্র্যাফিক ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণে তৎপর কলকাতা পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকরা। সবমিলিয়ে মহাসপ্তমীতে আনন্দে মাতোয়ারা আপামর বাঙালি।










