পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের ঘনঘটা। ইরানে একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা। পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইরানও। অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের আইআরজিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী “সব ধরনের জাহাজের জন্য বন্ধ” করা হয়েছে। কুয়েত আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে, সংঘাত তীব্র হওয়ার মধ্যে বাহরাইন ও জর্ডনে বিমান হামলার সতর্কবার্তা অথবা সাইরেন বাজার খবর পাওয়া গেছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ বলেছেন, “সেন্টকম (সেন্ট্রাল কমান্ড) ব্যস্ত থাকবে; কারণ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, আমরা ইরানের ওপর কঠোর আঘাত হানব—এবং আমরা তা-ই করব। কারণ ইরানের সামনে একটি ভালো অথবা চমৎকার চুক্তি করার সুযোগ রয়েছে—যার মাধ্যমে তারা যা করার আগ্রহের কথা বলেছিল, তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হতো; অথচ তারা তা করতে রাজি হয়নি।”
তেহরানের হুঁশিয়ারি, নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে কোনও জাহাজ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। আমেরিকার যদিও দাবি, হরমুজে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। কেবল সিরিক এবং মিনাব শহরেই নয়, বন্দর আব্বাস, কাশেম দ্বীপেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই আমেরিকার ক্ষেপণাস্ত্র হানা রুখতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে ইরান। মুহুর্মুহু মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে ইরানের দক্ষিণের দুই শহর জাস্ক এবং সিরিকে। ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে হরমুজ প্রণালীর কাশেম দ্বীপেও।









